ভোলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি জেলা। এটি উত্তরে বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে মেঘনা নদী ও লক্ষ্মীপুর জেলা এবং পশ্চিমে তেঁতুলিয়া নদী ও বরগুনা জেলা দ্বারা সীমাবদ্ধ। ভোলা একটি কৃষিনির্ভর গ্রামীণ জেলা। জেলায় উৎপাদিত প্রধান ফসল হলো ধান, পাট, আলু, মুগডাল এবং নানা ধরনের শাকসবজি। এছাড়াও জেলাটিতে মাছ ধরার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি বিশাল সামুদ্রিক অর্থনীতি রয়েছে। ভোলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্র। জেলাটি নদীপথ, সড়ক এবং ফেরি সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত। এছাড়া ভোলা শহরে একটি ছোট বিমানবন্দরের পরিকল্পনা চলমান রয়েছে। ভোলা একটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য, বিশেষ করে এর উপকূলীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং চরভিত্তিক বৈচিত্র্যময় জীববৈচিত্র্যের জন্য। জেলাটিতে চর কুকরিমুকরি, মনপুরা দ্বীপ এবং জ্যাকব টাওয়ারসহ অনেক দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে। ভোলা নামকরণ ও জেলার ইতিহাস ভোলা জেলা পূর্বে বরিশাল জেলার একটি মহকুমা ছিল। পরে ১৯৮৪ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। জনশ্রুতি মতে, “ভোলা গাজী” নামে একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ছিলেন, যিনি মানবসেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তাঁর নাম থেকেই এলাকাটির নামকরণ করা হয়েছে "ভোলা"। আরেকটি তত্ত্ব অনুসারে, একসময় ভোলা অঞ্চলটি নদীভাঙনে বারবার পরিবর্তিত হওয়ায় এর চর ও ভূমি নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা ঘটনা ঘটেছে—সেই স্মৃতি থেকেই ভোলার নাম স্থানীয়ভাবে প্রসিদ্ধ হয়ে উঠে। যাই হোক, ইতিহাস ও প্রাকৃতিক কারণে ভোলা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত জেলা হয়ে উঠেছে।..... বিস্তারিত
সাম্প্রতিক খবর
ভিডিও গ্যালারী
মাননীয় মেয়র
সম্মানীত সকল পৌরবাসীকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূতিকাগার প্রথম রাজধানী ঐতিহাসিক মুজিবনগরের প্রবেশদ্বার মেহেরপুর পৌরসভা। এ পৌরসভার সকল প্রতিকুলতা, ঘাত-প্রতিঘাত ও প্রতিবন্ধকতার অবসান ঘটিয়ে বিগত ২৫ এপ্রিল, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের পৌর নির্বাচন এবং বিস্তারিত
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
সম্মানীত সকল পৌরবাসীকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূতিকাগার প্রথম রাজধানী ঐতিহাসিক মুজিবনগরের প্রবেশদ্বার মেহেরপুর পৌরসভা। এ পৌরসভার সকল প্রতিকুলতা, ঘাত-প্রতিঘাত ও প্রতিবন্ধকতার অবসান ঘটিয়ে বিগত ২৫ এপ্রিল, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের পৌর নির্বাচন এবং বিস্তারিত